পাইপলাইনে পড়ে আছে ৪৫ বিলিয়ন ডলার
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১৫:০০
স্বাধীনতার পর থেকে ২০২২ সালের জুন মাস। এই ৫১ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে ঋণ এসেছে সাত হাজার ৭১৫ কোটি বা ৭৭ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার। একই সময়ে অনুদান এসেছে এক হাজার ৭৫৪ কোটি বা ১৭ বিলিয়ন ডলার।
ঋণ ও অনুদান মিলে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রকল্পের আওতায় ৯৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে পাইপলাইনে পড়ে আছে ৪৫ বিলিয়ন ডলার।
সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রকাশিত ‘ফ্লো অব এক্সটার্নাল রিসোর্সেস ইনটু বাংলাদেশ ২০২১-২২’ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে এ তথ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু ২০২১-২২ অর্থবছরে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ১০ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ। এ সময়ে অনুদান এসেছে ৬৫ দশমিক ৫৮ কোটি ডলার।
বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের শীর্ষে রয়েছে বিদ্যুৎ খাত। বিদ্যুৎ খাতে ১৮ বিলিয়ন ডলারের ঋণ এসেছে। এর পরেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এসেছে ১৬ বিলিয়ন। সবচেয়ে কম- এক বিলিয়ন ডলার এসেছে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে।
তৃতীয় সর্বোচ্চ ঋণ নেওয়া হয়েছে সরকারি সাধারণ সেবা খাতে। ঋণের পরিমাণ ১৩ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া শিক্ষা খাতে ৭৬৬, স্বাস্থ্য খাতে ৬৫৮, হাউজিং খাতে ৬৪৭ কোটি ডলার ঋণ এসেছে।
ঋণ দেওয়ার শীর্ষে রয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্বব্যাংক দিয়েছে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার। এর পরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ২০ বিলিয়ন ডলার, জাপান ১৪ ও চীন সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে।
এছাড়া রাশিয়ার কাছ থেকে ৫৭৮, জাতিসংঘ থেকে ২২৯, আমেরিকা থেকে ১২৯, ব্রিটেন থেকে ২২২, কানাডা থেকে ৮৮, জার্মানি থেকে ১৫৮, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ১২২, ইন্ডিয়া থেকে ১৫৪ এবং ইউনিসেফ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে ১৫১ কোটি ডলার।
ইউডি/এ

