ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা : সরকারের যত পদক্ষেপ

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা : সরকারের যত পদক্ষেপ

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০৭ আগস্ট ২০২৩ । আপডেট ১৪:২৫

এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যার হার আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলেছে। এমন পরিস্থিতিতে মশা নিধনের কার্যক্রম আরও বেগবান ও জনগণকে সচেতন করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সঙ্গে সরকারি সহযোগিতা না বাড়ালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়ানক রুপ নিতে পারে বলে উদ্বেগ তাদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কি কি পদক্ষেপ নিচ্ছে তা নিয়ে আরেফিন বাঁধনের প্রতিবেদন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আসছে ‘সমন্বিত উদ্যোগ’

মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের বাহক মশা শনাক্ত করতে ঢাকা মশা নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে একটি সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনা ইউনিট (ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানজমেন্ট ইউনিট) এবং একটি কেন্দ্রীয় জৈবিক (পতঙ্গবিজ্ঞান) ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হবে। সেজন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি) একটি প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে, যাতে প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে স্থানীয় সরকার বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক (পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগ) ডা. মো. সারোয়ার বারী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তিনটি সিটি কর্পোরেশন ও দুটি পৌরসভায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি মূলত দুটি ভাগে বাস্তবায়ন হবে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নের একটি অংশ বাস্তবায়ন করবে এলজিডি। প্রকল্পের এই অংশটির মাধ্যমে মশক নিধনের সকল উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত আরেকটি অংশ বাস্তবায়ন করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ অংশের প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কাজ চলছে বলে জানান তিনি। মহাপরিচালক বলেন, এ প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য আমরা বিশ্ব ব্যাংকের কাছে প্রস্তাব করেছি এবং তারা রাজিও হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া যাবে প্রায় ১ হাজার ৭৩ কোটি টাকা। বাকি প্রায় ২১৫ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার অনুমতি পেল সরকারি হাসপাতাল

ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে স্যালাইন সংকট দেখা দেওয়ায় তা কিনতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম। তিনি বলেছেন, দেশের সরকারি হাসপাতালে স্যালাইন সরবরাহ করে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড-ইডিসিএল। তবে বর্তমানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ইডিসিএল পুরোপুরি সরবরাহ করতে পারছে না। ইডিসিএল এখন সবার চাহিদা মত স্যালাইন দিতে পারছে না। আবার ইডিসিএলের তালিকাভুক্ত ওষুধ যদি হাসপাতাল বাইরে থেকে কেনে- তাহলে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে পানিশমেন্ট হয়। যেগুলো ইডিসিএল দিতে পারবে না, সেগুলো বাইরে থেকে কিনতে হলে তাদের একটা এনওসি লাগে। আমরা সবাইকে এনওসি দেওয়ার ব্যবস্থা করছি- যাতে এখন স্যালাইন কিনে নিতে পারে। রবিবার (০৬ আগস্ট) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, স্যালাইন কেনার জন্য হাসপাতালগুলোকে আলাদা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারা এই টাকা খরচ করতে পারবে সেই এখতিয়ারও তাদের দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য পর্যাপ্ত কিট আছে। এজন্য সরকারি হাসপাতালে আসতে হবে। সব জায়গায় আমাদের এই পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। প্রতিটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কিট দেওয়া আছে। তো লোকজনকে তো আমাদের হাসপাতালে আসতে হবে। আমাদের কাছে আসলে আমরা টেস্ট করব। বেসরকারি হাসপাতালগুলো কোথা থেকে কিট কিনছে, সেটার দাম কী নিচ্ছে তা আমার জানা নাই।

জাহিদ মালেক

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য আলাদা কক্ষ আছে। নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ বছর বন্যা ও বৃষ্টি বেশি ছিল, যার কারণে মশা বেড়েছে। ডেঙ্গু রোগীও বেড়েছে। মশা নিধন করলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও কমে আসবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১৩ জনে। নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ৭৬৪ জন। এতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ৭৩২ জনে। রবিবার (৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ৭৬৪ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক হাজার ৭৮ জন ও ঢাকার বাইরের এক হাজার ৬৮৬ জন। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১০ জনের ৭ জন রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা, বাকি ৩ জন ঢাকার বাহিরের।

পাল্টেছে ধরন, প্রাদুর্ভাব আরও বাড়ার আশঙ্কা

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদুর রহমান রবিবার (০৬ আগস্ট) দৈনিক উত্তর দক্ষিণ’কে, ডেঙ্গুতে আক্রান্তের হার এখন ঊর্ধ্বমুখী। আগস্ট মাসে এই প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সারা বিশ্বেই হঠাৎ তাপদাহ বা অতিবৃষ্টি হচ্ছে। তাই সারা বছরই ডেঙ্গু থাকবে। তবে বর্ষার শুরু এবং শেষে এর প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি থাকবে। সেই অর্থে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার শঙ্কা থেকেই যায়। একই ধরনের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী। তিনি মনে করেন, চলতি আগস্ট ও আগামী সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে যাবে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে ডা. লেলিন চৌধুরী জানিয়েছেন, যেভাবেই হোক বর্তমানে ডেঙ্গু রোগের লক্ষণগুলো বেশ বদলে গিয়েছে। এ বছর ডেঙ্গুর যে প্রকার দেখা যাচ্ছে, সেগুলো সেকেন্ডারি ফর্মের। অর্থাৎ আগে যিনি ডেঙ্গুর অন্য কোনো উপধরন দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি এখন আরেকটি ধরণ বা উপধরণ দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয়বার যখন কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় তখন মৃত্যু ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এবারে তাই হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা স্থিতিশীল, বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আগস্টের শেষে ডেঙ্গু রোগী কমে স্বস্তিকর জায়গায় যেতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রবিবার (৬ আগস্ট) দেশের চলমান ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আয়োজিত ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, দেখা যায় কোনও রোগের প্রাদুর্ভাব একটা সময় সর্বোচ্চ পরিমাণ হয়ে এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তবে সে ক্ষেত্রে প্রতি বছর একইরকম মিল থাকবে তাও না। গত বছর অক্টোবরে এসে ডেঙ্গু কমতে শুরু করে। তবে এবার সেটা আগস্টেও হতে পারে। আগস্ট মাসে ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে পারলে আশা করা যায় এ রোগটায় আক্রান্ত কিছুটা কমে আসবে এবং একটা স্বস্তিকর জায়গায় যাবে। অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসেন জানান, জুলাই মাসজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিনিয়ত বেড়েছে। তবে বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমানে ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা স্থিতিশীল রয়েছে। ঢাকার বাইরে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও আগে যে হারে বেড়েছিল এখন আর সে হারে বাড়ছে না।

তিনি আরও জানান, যখন এ স্থিতিশীলতা থেকে রোগী কমার দিকে যাবে তখন আমাদের হাসপাতালগুলোতে চাপ কমবে। তবে তার আগ পর্যন্ত আমাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকতে হবে।জুলাই মাসজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিনিয়ত বেড়েছে। তবে বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমানে ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। ঢাকার বাইরে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও আগে যে হারে বেড়েছিল এখন আর সে হারে বাড়ছে না বলে জানান তিনি। চলতি বছরের শুরু থেকেই ডেঙ্গুর প্রকোপ রয়েছে। জুনে তা বাড়তে থাকে এবং জুলাইয়ে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। চলতি আগস্ট মাসেও প্রতিদিনই মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ইতোমধ্যে ডেঙ্গুতে মৃত্যু তিনশ ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৬৪ হাজার ছুঁইছুঁই।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ০৭ আগস্ট ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি বিশিষ্টজনদের

ডেঙ্গু এখন আর শহুরে রোগ নয়, বরং এটি এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু নিয়মিত ব্রিফিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। রবিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘পরিবেশ ও সামাজিক অভিঘাতের প্রেক্ষিতে ডেংগুর প্রসার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তারা এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মশা নিধনে দৃশ্যত তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ও কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ডেঙ্গু আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীর কোনো উপসর্গ লক্ষ্য করা যায় না। সে কারণে দেশে প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। যে সংখ্যা প্রকাশ করা হচ্ছে, প্রকৃত পক্ষে তার চেয়ে অনেক বেশি আক্রান্ত এবং মৃত্যুবরণ করছে। আক্রান্তের তুলনায় পরীক্ষা কেন্দ্র খুবই সামান্য। অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে লক্ষ্য করা যায় বহুতল ভবনের গাড়ির গ্যারেজ, গাড়ি পরিষ্কারের স্থানে পানি জমে মশার সৃষ্টি হয়। কিন্তু এসব বহুতল ভবনে অনেক সচেতন মানুষ বসবাস করেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনেক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এসকল স্থানে পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় মশার বিস্তার লাভ করে।

ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ডেঙ্গু এখন আর শহুরে রোগ নয়। বরং এটি এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত ব্রিফিং এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষা কেন্দ্র চালু করতে হবে।

ইউডি/আবা/এজেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading