যুদ্ধ বন্ধের দাবি এক হাজার ইসরাইলি সেনার, বরখাস্তের হুমকি নেতানিয়াহুর

যুদ্ধ বন্ধের দাবি এক হাজার ইসরাইলি সেনার, বরখাস্তের হুমকি নেতানিয়াহুর

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫, আপডেট ১৪:২০

প্যালেস্টাইনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়ে লেখা এক চিঠিতে ইসরাইলি বিমানবাহিনীর প্রায় এক হাজার কর্মকর্তা সই করেছেন। এই ঘটনার জেরে তাদেরকে বরখাস্তের হুমকি দিয়েছে বাহিনীর কমান্ডাররা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চিঠিতে সই করা সেনাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা বিবৃতিতে জানায়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর প্রধানের কাছে লেখা চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তকে প্রধানমন্ত্রী সমর্থন করেন।

গত বুধবার ইসরাইলি দৈনিক হারেৎজের বরাত দিয়ে আনাদোলু জানায়, বিমানবাহিনীর প্রায় ৯৭০ কর্মী একটি চিঠিতে সই করে চলমান যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন।

চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, গাজায় বোমাবর্ষণ ছিটমহলে আটক ইসরাইলি বন্দিদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।

চিঠিতে সই করা সেনারা বলছেন, অতীতে প্রমাণিত হয়েছে, কেবলমাত্র একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিই জিম্মিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারে। অন্যদিকে সামরিক চাপ মূলত জিম্মিদের হত্যা এবং আমাদের সৈন্যদের বিপদের দিকে পরিচালিত করে।

বর্তমানে গাজায় যুদ্ধ রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য পরিচালিত হচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে চিঠিতে সই করা সেনাদের সতর্ক করে বলা হয়, যুদ্ধকালীন সময়ে সামরিক বাহিনীকে দুর্বল করে এবং আমাদের শত্রুদের শক্তিশালী করে এমন অভিব্যক্তি ক্ষমার অযোগ্য।

ইসরাইলি গণমাধ্যমে বলা হয়, চিঠিতে তাদের কেউ কর্মবিরতি পালন করতে চাননি বা কাজ চালিয়ে যেতে অস্বীকার করেননি। বরং ইসরাইলি কর্মকর্তাদের প্রাণঘাতী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে বন্দিদের মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সই করা কর্মীদের মধ্যে বৈমানিক, কর্মকর্তা ও নিয়মিত সেনার পাশাপাশি রিজার্ভ সেনাও আছেন। হারেৎজ জানিয়েছে, ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর প্রধান ইয়াল জামির এবং বিমানবাহিনীর বার সই করা সেনাদের বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কখন থেকে এই বরখাস্ত কার্যকর হবে তা স্পষ্ট নয়।

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading