আদানির বিদ্যুতে বাংলাদেশের গচ্চা ১০ বিলিয়ন ডলার
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ২০২৬, আপডেট ২৩:৫৫
আদানির বিদ্যুতে বাংলাদেশের গচ্চা ১০ বিলিয়ন ডলার। বছরে বাড়তি গুণতে হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বিদ্যুৎ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরে চুক্তি পর্যালোচনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি।
চুক্তিতে দুর্নীতির তথ্য আদানিকে জানানোর পাশাপাশি সিঙ্গাপুরে সালিশি আদালতে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ারও পরামর্শ দেয় কমিটি।
দেশে বিদ্যুতের প্রায় ১০ শতাংশের জোগান আসে ইন্ডিয়ার গোড্ডায় নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে। কিন্তু শুরু থেকেই চুক্তি, কয়লার মান ও দাম নিয়ে আছে বিতর্ক।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে গঠন করা হয় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশেষ বিধানের আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চুক্তি পর্যালোচনা কমিটি।
কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন নিয়ে রোববার বিদ্যুৎ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিশেষ বিধানে চুক্তিগুলো জাতীয় স্বার্থের চেয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে গোষ্ঠী স্বার্থকে। বিশেষ আইনের অপব্যবহার, যোগসাজশ, দুর্নীতি, রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের ফলে পিডিবি এখন দেউলিয়ার পথে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় কমিটি জানায়, ৪০ শতাংশ অর্থ বাড়তি দেয়া হচ্ছে আদানিকে।
আদানি চুক্তিতে সম্পৃক্ত বিদ্যুৎ খাতের অনেকের পকেটে মিলিয়ন ডলার ঢুকেছে বলে দাবি করে পর্যালোচনা কমিটি।
আদানির চুক্তি বাতিল হবে কি-না, কিংবা সিঙ্গাপুরের সালিশি আদালতে মামলা হবে কি-না, তার ভার অন্তর্বর্তী সরকার নয়, পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের দিকেই ঠেলে দেয় পর্যালোচনা কমিটি।
ইউডি/এবি

