গুমে মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, বিচার বিশেষ আদালতে
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (২৮জুলাই) ২০২৬, আপডেট ২১:০০
গুমের শিকার ব্যক্তির মৃত্যু হলে, লাশ পাওয়া গেলে কিংবা ঘটনার পাঁচ বছর পরও তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। বিকল্প হিসেবে যাবজ্জীবন অথবা কমপক্ষে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া সাধারণভাবে গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন অথবা কমপক্ষে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত এবং অভিযোগ গঠনের পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে।
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ নামে প্রস্তাবিত বিলে এসব বিধান রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা ১৩ পৃষ্ঠার বিলটিতে গুমের সংজ্ঞা, অভিযোগ দায়ের, তদন্ত ও বিচার, শাস্তি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়, গোপন আটককেন্দ্র, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং নিখোঁজ ব্যক্তির সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার। গুম এসব অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। ব্যাপক বা পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত গুমকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচারের সুযোগও রাখা হয়েছে।
ইউডি/এবি

