পরিত্যক্ত ফিতায় সফলতার স্বপ্ন

পরিত্যক্ত ফিতায় সফলতার স্বপ্ন

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ২৪ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৩:০০

প্লাস্টিকের ফিতা দিয়ে ঝুড়ি, ডালা, খাঁচি ও কুলায় সফলতার বীজ বুনছেন লক্ষ্মীপুরের শারমিন আক্তার। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্য মোড়ানো প্লাস্টিকের ফিতাগুলো তার উপার্জনের অন্যতম বস্তু। অব্যবহার্য ফিতাগুলো ব্যবহার করেই শারমিনের মতো অনেকেই নতুন নতুন জিনিস তৈরি করছেন। এভাবেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষগুলো আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে। জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বামনী ইউনিয়নের সাগরদী গ্রামের আবদুল কাদের মামুনের স্ত্রী শারমিন আক্তার। গত ২০০১ সালে দিনমজুর মামুনকে বিয়ে করেন নোয়াখালির কোম্পানিগঞ্জের এই নারী। বিয়ের পর থেকেই বসবাস করছেন চট্টগ্রামে। পরে ২০১১ সালে লক্ষ্মীপুরে চলে আসেন স্বামীর অসুস্থতার কারণে। তখন থেকেই সেলাই আর প্লাস্টিকের ফিতা দিয়ে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। যদিও বতর্মানে তিনি সেলাইয়ের কাজ করছেন না। শারমিন আক্তার  জানান, স্বামীর অসুস্থতার কারণে চট্টগ্রাম থেকে লক্ষ্মীপুরে চলে আসেন। তখন অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা ও সংসারের খরচ চালাতে হিমসিম খেতে হয়েছে তাকে। তখন পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে শুরু করেন সেলাইয়ের কাজ। তাতেও অভাব মোচন হচ্ছে না এই  নারীর। ফলে প্লাস্টিকের ফিতা দিয়ে ঝাঁপি, হাঁস-মুরগির খাঁচি, মাছ-তরকারি ধোয়ার ঝাঁকা, ঘরের সিলিং, টুকরি, ডালা, কুলাসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা শুরু করেন। পণ্যগুলোর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেলাইয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেন কারুকাজের অপূর্ব এ শিল্পের সঙ্গে। আর এখন এ শিল্পের প্রতি পুরোপুরি নির্ভরশীল শারমিন।শারমিনদের এই পণ্যের সঙ্গে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর কর্মচারীরা পরিচিত। তবে, ৩০ বছর চাকরির জীবনে পণ্যগুলোর সাথে পরিচিত নয় উপ-ব্যবস্থাপক দেলওয়ার হোসেন। এজন্য তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading