প্রেমে ফাটল! ট্রাম্পের টুইটার থেকে মোদি আউট

প্রেমে ফাটল! ট্রাম্পের টুইটার থেকে মোদি আউট

উত্তরদক্ষিণ ২৯ এপ্রিল ২০২০ । ২১:৪৭

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গলায় গলায় ভাব একথা সবাই জানে। সেই সম্পর্কে কি এখন ভাটির টান পড়েছে নাকি! ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের টুইটারের ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে হঠাত মোদিকে আউট করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কুটনৈতিক মহলে নানা রকম কানাঘুষা চলছে। কারণ মোদির সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী মোদির অফিস এবং ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসকেও আনফলো করেছে হোয়াইট হাউস।

গত ১০ এপ্রিল থেকে কিছুটা নজিরবিহীন ভাবেই নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত এবং প্রধানমন্ত্রীর অফিসের টুইটার হ্যান্ডল ফলো করে হোয়াইট হাউস। তার পর এই সব অ্যাকাউন্টকেই ‘ফলোইং’-এর তালিকা থেকে মোদিকে বাদ দিয়ে দিল হোয়াইট হাউস। ১৮ দিনেই বন্ধুত্ব শেষ! মোদীকে আনফলো করলেন ট্রাম্প।

মূলতঃ আমেরিকাকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দেওয়ার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর টুইটার হ্যান্ডল ফলো করেছিল হোয়াইট হাউস। কিন্তু তার পর তিন সপ্তাহও কাটল না। মোদীর টুইটার আনফলো করে দিল হোয়াইট হাউস। তার সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী মোদির অফিস এবং ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসকেও আনফলো করে দিয়েছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কার্যালয় তথা বাসভবন।

নরেন্দ্র মোদির টুইটার নিয়ে তিয়াসা দাসের গ্রাফিক্স

হোয়াইট হাউসের টুইটার হ্যান্ডলের ফলোয়ার সংখ্যা দু’কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি। তবে হোয়াইট হাউস সাধারণত অন্য কোনও দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে ফলো করে না। কিন্তু মোদিকে কেনই বা ফলো এবং এখন কেনই বা ‘আনফলো’? -এই প্রশ্নের জবাব মিলছে না।

মার্কিন মুলুকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হওয়ার পর ভারতের কাছে করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারত এই ওষুধ না দিলে ফল ভাল হবে না বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার পর ভারত সেই ওষুধ আমেরিকায় পাঠিয়েছিল গত ৮ এপ্রিল। ওষুধ পৌঁছতেই ভারতবাসী এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর তার দু’দিন পরে মোদী, প্রধানমন্ত্রীর অফিস এবং অন্যান্য ভারতীয় অ্যাকাউন্টগুলি ফলো করতে শুরু করে হোয়াইট হাউস।

কিন্তু কেন ‘আনফলো’ করা হয়েছে, তা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি হোয়াইট হাউস। তবে পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, যেখানে কোনও দেশের রাষ্ট্রনেতাকেই ফলো করে না হোয়াইট হাউস, সেখানে আলাদা করে মোদীকে ফলো করা হোয়াইট হাউসের কাছে বিসদৃশ। অন্য অনেক দেশেই এ নিয়ে ভুল বার্তা যেতে পারে। হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পাওয়ার পর ব্যাতিক্রমধর্মী ভাবে ফলো করা হলেও পরে এই বিষয়টি মাথায় রেখেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ফলো তালিকা থেকে, মত কূটনৈতিকদের।  
সুত্রঃ আনন্দবাজার

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading