ডোরিন বোগডান-মার্টিন: আইটিইউ’র প্রথম নারী প্রধান
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৪:২০
যোগাযোগ প্রযুক্তির আন্তর্জাতিক বাজারে মান নির্ধারক হিসেবে জাতিসংঘের প্রতিনিধিত্ব করা সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)’-এর প্রথম নারী মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডোরিন বোগডান-মার্টিন। জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ কাঠামোর অন্তর্ভূক্ত সবচেয়ে পুরনো সংস্থাগুলোর একটি আইটিইউ।
১৮৬৫ সালে প্রতিষ্ঠার সময় সংস্থাটি আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কের দেখভাল করতো। বর্তমানে রেডিও, স্যাটেলাইট এবং ইন্টারনেট যোগাযোগ প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে টেলিযোগাযোগ কাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে সংস্থাটি।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, সংস্থাটির মহাসচিব পদের জন্য আমেরিকার নাগরিক বোগডান-মার্টিনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন রাশিয়ার রাশিদ ইসমাইলভ। নির্বাচনে ইসমাইলভ ২৫ ভোট পেলেও ১৩৯ ভোট পেয়ে জিতেছেন বোগডান-মার্টিন। আইটিইউয়ের মহাসচিব পদে হুওলিন জা’র স্থলাভিষিক্ত হবেন বোগডান-মার্টিন; আনুষ্ঠানিকভাবে তার মেয়াদ শুরু হবে ২০২৩ সালের প্রথম দিন থেকে। ২০১৪ সাল থেকে দুই দফায় মহসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন জা।
আইটিইউ মহাসচিব হিসেবে বোগডান-মার্টিনের ওপর বেশ কিছু গুরুদায়িত্ব বর্তাবে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ খাতে যার প্রভাব হবে বহুমাত্রিক। এর মধ্যে আছে পৃথিবীকে ঘিরে চক্কর দিতে থাকা স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে সমন্বয়, টেলিযোগাযোগ খাতের কারিগরি মান সমন্বয় করা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন।
অন্যদিকে মহাসচিব পদে নির্বাচিত হওয়ার পর দেওয়া বক্তব্যে পুরো বিশ্বে ইন্টারনেট সংযোগের আওতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছেন বোগডান-মার্টিন। তিনি বলেন, আমাদের নিজেদের সন্তান হোক বা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হোক, তাদের বেড়ে ওঠার জন্য নির্ভরযোগ্য এবং স্থিতিশীল অবকাঠামো দিতে হবে আমাদের। বিশ্ব এখন অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে – সংঘাত বাড়ছে, জলবায়ু সঙ্কট, খাদ্য নিরাপত্তা, লিঙ্গ বৈষম্য এবং এখনও ইন্টারনেট সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন আছেন ২৭০ কোটি মানুষ, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলার ক্ষেত্রে আইটিউয়ের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইউডি/সুপ্ত

