সেনাসদস্যদের হাতে শিক্ষার্থী ‘মারধরের’ অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে: আইএসপিআর
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ২০২৫, আপডেট ২৩:২০
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভিড় ‘নিয়ন্ত্রণের সময়’ কয়েকজন সেনাসদস্যের হাতে ‘শিক্ষার্থীদের মারধরের’ যে অভিযোগ উঠেছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর।
ঘটনাটিকে ‘অনভিপ্রেত’ হিসেবে বর্ণনা করে আইএসপিআর বলেছে, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) আইএসপিআর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাইলস্টোন স্কুল ভবনে বিমান বাহিনীর জঙ্গি বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরের পরিস্থিতিরও ব্যাখ্যা দিয়েছে।
বলা হয়েছে, উদ্ধার কাজ নির্বিঘ্ন করতে সেখানে ভিড় করা ‘একদল উৎসুক জনতাকে’ সরাতে গেলে তাদের সঙ্গে সেনাসদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের ‘ভুল বোঝাবুঝি ও বাদানুবাদের’ সৃষ্টি হয়, যা এক পর্যায়ে একটি ‘অনভিপ্রেত’ ঘটনার অবতারণা করে।
মাইলস্টোন স্কুলে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত শিশুসহ ২৮ জন প্রাণ হারিয়েছে। আর, আহত হয়ে ৬৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে অনেকেই গুরুতর আহত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর সেখানে যাওয়া সংবাদকর্মী, উৎসুক জনতা ও মাইলস্টোনের শিক্ষকদের সঙ্গেও উদ্ধারকারী সদস্যদের বাদানুবাদ, শিক্ষার্থীদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা এই ঘটনাসহ ছয় দফা দাবিতে ক্যাম্পাস সংলগ্ন গোলচত্ত্বরে দিনভর বিক্ষোভ করেন। তারা এ ঘটনার জন্য সেনাবাহিনীর সদস্যদের জনসম্মুখে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ারও দাবি জানান।
এদিন সেনাসদস্যের হাতে ‘শিক্ষার্থীদের মারধরের’ অভিযোগ ও নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি ওঠার পর ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
এ বিষয়ে ‘উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে’ সেনা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলেও জানিয়েছে সরকার।
ইউডি/এবি

